স্টাফ রিপোর্টার :: বেনাপোল কাস্টমস হাউসের দূর্নীতিগ্রস্থ রাজস্ব কর্মকর্তার লাগামহীন ঘুস বানিজ্যের কবলে সরকার বড় অঙ্কের রাজস্ব হারালেও কোন পদক্ষেপ নেইনী কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। আমদানিকারকরা সনজুর পাতানো ছকেই সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সহকারী কমিশনার পর্যন্ত এক তৃতীয়াংশ অর্থ চুক্তিতে রফাদফা সেরেই সর্ব নিন্ম শুল্ক ধার্যে আমদানি পণ্য চালান ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
বর্তমানে সনজু মিয়া বেনাপোল কাস্টমস হাউসের শুল্কায়ন গ্রুপ-২( এ )এর রাজস্ব কর্মকর্তার দায়িত্বে রয়েছে। গত ৮ ডিসেম্বর ২৫ইং তারিখে রাজস্ব কর্মকর্তা সনজুর অনিয়ম-দূর্নীতি,হয়রানী ও অবৈধ্য ঘুস বানিজ্য নিয়ে একাধিক পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে খবর প্রকাশিত হয়।এর জের ধরেই সনজুর অবৈধ্য ঘুস বানিজ্যের উৎস অনুসন্ধান চালাতেই চক্ষু চড়ক গাছ।
কাস্টমস হাউসে সংরক্ষিত ডাটা বেজে বিগত তিন মাসের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা পর্যালোচনায় ওঠে এসেছে তার অনিয়ম-দূর্নীতির ফিরিস্তি। ভারতীয় রপ্তানীকারক জি এন এক্সপোর্টস ও বাংলাদেশী আমদানিকারক এস এস ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল পণ্য চালানে একাধিকবার বিধি বর্হিভূত ভাবেই নিন্ম শুল্ক ধার্য্য মূল্যে পণ্য খালাস নিতে সহায়তা দিয়েছেন।এর ফলে সরকার কয়েক কোটি টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হলেও তিনি অবৈধ ঘুস নিয়েছেন কোটি টাকা যা সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের সুষ্ট তদন্তে বের হবে।
অনিয়ম ও বৈষ্যমের স্বীকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আমদানিকারক অভিযোগ জানিয়ে বলেন,ভারত হতে একই এইচ এস কোডে( ৩২০৮১০২০)আনা আমদানি পণ্য আমরা ২.৭৫ ডলার শুল্ক পরিশোধে পণ্য খালাস পাই। অথচ আমদানিকারক প্রতিনিধির সাথে সনজুর পূর্ব চুক্তিমোতাবেক পণ্য চালানটি ১.২০ ডলার শুল্ক পরিশোধে খালাস পাই।বিষয়টি আমরা উর্দ্ধতণ কর্মকর্তাদের বলেও সুরাহ পাইনী।
রাজস্ব কর্মকর্তা সনজুর অনিয়ম দূর্নীতিতে তার উর্দ্ধতণ সহকারী কমিশনারের যোগসাজ রয়েছে বলে তারা আরো জানান। অভিযোগ বিষয়ে রাজস্ব কর্মকর্তা সনজুর মুঠো ফোনে কল দিলে কল রিসিভ না করায় বক্তব্য জানা যাইনী।
আমদানি কারক প্রতিনিধিদের হয়রানী ও পণ্যশুল্ক নির্ধারনে অনিয়মের অভিযোগ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহাকারী কমিশনার রাহাত হোসেনের মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন,বিষয়টি কমিশনার মহোদয়কে অবগত করে দ্রুতই কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বেনাপোল কাস্টমসকর্তৃপক্ষের অবহেলায় অসাধু কর্মকর্তাদের অবৈধ্য ঘুস বানিজ্যে বেনাপোল বন্দরে রাজস্ব আহরোনের লক্ষ্যমাত্রা পূরন হচ্ছে না বলে স্থানীয় আমদানিকারকরা নিশ্চিত করেন। তারা কাস্টমস কার্যক্রমের শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা ফেরাতে জাতীয় রাজস্ববোর্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।













