বৃহস্পতিবার, ৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

ইসরায়েল ভ্রমণে সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য

ইসরায়েল ভ্রমণে সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
ছবি সংগৃহীত

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ভ্রমণ নিয়ে নিজ নিজ দেশের নাগরিকদের সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। বৃহস্পতিবার ( ১৫ জানুয়ারি )এক প্রতিবেদেনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়,জেরুজালেমে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় দেশটির নাগরিকদের জানায়,চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে নাগরিকদের যেকোনো ভ্রমণ পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা এবং সম্ভাব্য বিঘ্নের বিষয়টি মাথায় রেখে নিজেদের ও পরিবারের জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত।

এদিকে যুক্তরাজ্যের ফরেন,কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস ( এফসিডিও ) বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘অত্যাবশ্যক প্রয়োজন ছাড়া ইসরায়েল ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে।

ইরানে অর্থনৈতিক দুরবস্থার জেরে শুরু হওয়া বিক্ষোভ রূপ নিয়েছে সরকার পতন আন্দোলনে। উত্তাল রাজপথের আন্দোলন দমাতে কঠোর অব্স্থান নিয়েছে দেশটির সরকার। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোর দাবি, প্রতিদিনই নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারাচ্ছেন বহু সাধারণ মানুষ। এতে বেড়েই চলেছে নিহতের সংখ্যা।

এই পরিস্থিতিতে ইরানে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি আগেই দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছেন।

তিনি বলেছেন,ওয়াশিংটন তেহরানে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন জাহাজ,মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরাইলের ভূখণ্ড ইরানের জন্য ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে।

বাঘের গালিবাফের এমন হুঁশিয়ারিকে এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের প্রতি অত্যন্ত কঠোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরানের পার্লামেন্টের এমন হুঁশিয়ারির একদিন পরই যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ইসরায়েলে ভ্রমণে সতর্কতা জারি করল।

চলমান উত্তেজনার কারণে এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, ইতালি, স্পেন,পোল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াসহ একাধিক দেশ তাদের নাগরিকদের ইরান ছেড়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

সম্পর্কিত