বুধবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

বেনাপোলে সরকারী জমিতে দোকান ঘর তৈরীর সংবাদ প্রকাশের পর নায়েবের দৌঁড় ঝাপ শুরু

বেনাপোলে সরকারী জমিতে দোকান ঘর তৈরীর সংবাদ প্রকাশের পর নায়েবের দৌঁড় ঝাপ শুরু
বেনাপোলে সরকারী জমিতে দোকান ঘর তৈরীর সংবাদ প্রকাশের পর নায়েবের দৌঁড় ঝাপ শুরু

বেনাপোল প্রতিনিধি :: বেনাপোল ভূমি অফিসের প্রবেশ মুখের জমিতে থাকা পরিত্যাক্ত ভবনে দীর্ঘ সতের বছর পর রাতের আধারে দোকান তৈরীর খবর প্রকাশের পর সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আয়ুব হোসেন তার অপকর্ম আড়াল করতে তদবির মিশনে নেমেছেন।

লোক পাঠিয়ে অবৈধ দখলদার বা দোকান মালিকদের গণমাধ্যমকর্মীদের ম্যানেজ করতে বলেছেন বলে জানান ভুক্তভোগীরা।  ইতিমধ্যে তিনি পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদও দিয়েছেন। এর আগে যশোর বার্তা,আমার একুশসহ একাধিক অনলাইন পোর্টালে নায়েব আয়ুবের ঘুস বানিজ্যে সরকারী জমিতে দোকান ঘর তৈরীতে সহায়তা দেওয়ার খবর প্রকাশ হয়।

স্থানীয়রা জানান,২০০৭ সাল হতেই দোকান ঘর নির্মিত ভবনটি পরিত্যাক্ত রয়েছে।বেনাপোল ভূমি অফিসে নায়েব আয়ুব হোসেনের যোগদানের পূর্বেও দুই জন নায়েব দায়িত্ব পালন করলেও সদ্য দখলে নেওয়া দোকান মালিক মোস্তফা ও পঁচা সংস্কারের সুযোগ পাইনি। আকস্মিক ভাবে রাতের আধারে পরিত্যাক্ত ভবন দোকানে রুপান্তরীত হওয়া ভূমি কর্মকর্তার সদিচ্ছা বা সহযোগীতা ছাড়া একেবারেই অসম্ভব। এছাড়াও বেনাপোল ভূমি অফিসে বাড়তি টাকা অথবা ঘুস ছাড়া ভুমি সেবা গ্রহীতারা সেবা পাইনা বলে আরো জানান।

বিষয়টি নিয়ে শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও বেনাপোল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিয়াজ মাখদুম মুঠোফোনে বলেন,নায়েব কর্তৃক দোকান ঘর নির্মাণের বিষয়টি অবগত হয়েছি। দু একদিনের মধ্যে ঘটনা স্থলে সার্ভেয়ার জমি পরিমাপ করবে। সেখানে দখলদাররা বৈধ কাগজপত্র না দেখাতে পারলে তা ভেঙে ফেলাসহ অবৈধ দখলদারদের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দখলদারদের ব্যাপারে খোঁজ খবর নিলে বেনাপোল এলাকার একাধিক ব্যাক্তি জানান,গোলাম মোস্তফার ইতিপূর্বেওে ঐ স্থানে পাকা দ্বিতল ভবন ছিলো,যা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের জায়গায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।পঁচা নামের অপর পান বিক্রেতা ভাসমান ব্যবসায়ী হিসাবে পরিত্যাক্ত জমিতে টোঙ দোকান করে ব্যবসা করলেও ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় নির্বাচনের পর সে রাতের আধারে ইটের গাথুনী দিয়ে পাকা দোকান নির্মাণ করছেন।

এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে বেনাপোল ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তার ভুমিকা ও যোগসাজজ নিয়ে সমালোচনা চলছে।

 

সম্পর্কিত